Search This Blog

হ্যান্ডহেল্ড প্রিন্টার : হাতের মুঠোয় এটে যায় যে প্রিন্টার…

Tuesday, August 16, 2011

হ্যান্ডহেল্ড প্রিন্টার : হাতের মুঠোয় এটে যায় যে প্রিন্টার…
হাতের আকারের প্রিন্টার
হ্যান্ডহেল্ড প্রিন্টার? সে তো কবেকার জিনিস.. সেই কবে জ্যাকি চ্যানের মুভি অপারেশন কন্ডর এ তাকে দেখা গেচে এই জিনিস ব্যবহার করতে… ওহ হো.. সেটা তো ছিল একটা সায়েন্স ফিকশন এডভেন্চার ফিল্ম। তবে কি বাস্তবে এই জিনিস উদ্ভাবন হল?


হ্যা, বলছি প্রিন্টড্রিমস-এর কথা। এ প্রতিষ্ঠানটি রেন্ডম মুভমেন্ট প্রিন্টিং টেকনোলজি (আরএমপিটি) নামে একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যে প্রযুক্তির ফসল হচ্ছে প্রিন্টব্রাশ। এই প্রিন্টব্রাশই হচ্ছে বিশ্বের সর্বপ্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র হ্যান্ডহেল্ড প্রিন্টার। এ প্রিন্টারটি দৈর্ঘ্যে সাধারণ একটি বলপয়েন্ট কলমের চাইতে লম্বা নয়, আর এর প্রস্থ এবং উচ্চতা মোটামুটিভাবে একটা গড়পড়তা মোবাইল ফোনের সমান। উচ্চতা টেনেটুনে সাড়ে তিনশো গ্রামের মত হবে। অথচ এটাই নাকি পুরোপুরি কর্মক্ষম এবং স্বাধীন, স্বতন্ত্র একটি প্রিন্টার!

ছোটখাট আকারের কারণে একে পকেটের মধ্যে ভরে রাখা যায়। প্রিন্টড্রিমস জানিয়েছে, অচিরেই তারা প্রিন্টব্রাশের এমন ভারসন তৈরি করতে পারবে যেটি আকারে নাকি হবে আরো ছোট! ইন্টারনেটের কনটেন্ট, এসএমএস এবং তথ্যকে পিডিএ, মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ প্রিন্টার থেকে একটি বুটুথ অয়্যারলেস লিংকের মাধ্যমে প্রিন্টব্রাশের মধ্যে ডাউনলোড করা যাবে। এরপর কাগজ বা যে কোনো প্রিন্ট মিডিয়ার ওপর প্রিন্টব্রাশকে বুলিয়ে নিলেই প্রিন্টব্রাশের ভেতরের কনটেন্ট মুদ্রিত হতে শুরু করবে।

গত বছর জার্মানির হ্যানোভারে আয়োজিত সিবিট শো-তে প্রিন্টব্রাশের একটি অগ্রসর নমুনা বা প্রোটোটাইপ প্রদর্শন করা হয়। এরপর থেকে মোটামুটি ঢিমেতালেই এর উন্নয়নের কাজ চলছিল। এরই মধ্যে একটি বড় অগ্রগতি ঘটে অতি সম্প্রতি, যখন প্রিন্টড্রিমস অপটোনেভ নামে একটি সেন্সর তৈরি করে, এই অতি স্পর্শসংবেদী সেন্সরের কারণে মুদ্রণের গুণমান এবং নির্ভুলতায় প্রিন্টব্রাশ এগিয়ে যায় অনেকটাই। প্রিন্টড্রিমস নিজে এই পণ্য বাজারজাতকরণের ঝামেলায় যেতে চাচ্ছে না। তারা মৌলিক পণ্য নির্মাতাদের কাছে ‘আরএমপিটি’ প্রযুক্তির লাইসেন্স দিয়ে দেবে, তারাই এরপর এ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ব্র্যান্ড নামে নানা রকমের পণ্য তৈরি করবে। বছরখানেকের মাঝেই এটা বিশ্ববাজারে আবির্ভুত হবার কথা। এখন দেখা যাক, কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়।

0 comments:

Post a Comment