Search This Blog

আগামী দিনের কম্পিউটিং ক্লাউড কম্পিউটিং

Tuesday, August 16, 2011

ক্লাউড কম্পিউটিং: আগামী দিনের কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং কি জিনিস?

এটা এমন একটা ব্যবস্থা যেখানে আপনি আপনার চাহিদার ভিত্তিতে রিসোর্স ব্যবহার করতে পারবেন অন ডিমান্ড ভিত্তিতে। বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তার কথা ধরা যাক। তাঁর বিভিন্ন দায়িত্বের মধ্যে আছে প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কর্মী যাতে কাজের প্রয়োজনে পর্যাপ্ত হার্ডঅয়্যার ও সফটঅয়্যার পায় সেটি নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে সবার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কম্পিউটার কেনাই কিন্তু শেষ কথা নয়, তাদের জন্য সফটঅয়্যার (এবং সফটঅয়্যার লাইসেন্স)ও সংগ্রহ করতে হবে। যখনই নতুন কর্মী প্রতিষ্ঠানে যোগ দেবে, হয় তাদের জন্য নতুন সফটঅয়্যার কিনতে হবে অথবা বিদ্যমান সফটঅয়্যার লাইসেন্সের অধীনে কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে।


এ ঝামেলা থেকে মুক্তির একটি উপায় নিয়ে এসেছে ক্লাউড কম্পিউটিং। প্রতিটি কম্পিউটারে পৃথক সফটঅয়্যার স্যুইট ইনস্টল না করে মাত্র একটা অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করলেই হবে। এর সুবাদেই কর্মীরা একটি ওয়েব বেজড সেবায় লগ-ইন করে তাদের প্রয়োজনীয় সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে। এটাই হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল কথা। ক্লাউড কম্পিউটিং পরিবেশে স্থানীয় কম্পিউটারে কাজের চাপ কমে যাবে অনেকটাই। স্থানীয় কম্পিউটারগুলোকে আর বড় বড় অ্যাপ্লিকেশন চালানোর ঝামেলা বা চাপ সহ্য করতে হবে না।

ভারী সব প্রোগ্রাম চালাবার কাজটি সামলাবে কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক, যা দিয়ে গঠিত হবে ক্লাউড। ব্যবহারকারীর প্রান্তে হার্ডঅয়্যার ও সফটঅ্যারের জন্য চাহিদা কমে যাবে। ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে কেবল ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমের ইন্টারফেস সফটঅয়্যারটাই (যা হতে পারে সাধারণ একটি ওয়েব ব্রাউজারও) চলবে। বাকি সব কাজ সামলাবে কাউডের নেটওয়ার্ক।

খুব বেশি অন্যরকম মনে হচ্ছে? ব্যাপারটা কিন্তু দূর ভবিষ্যতের কোনো ব্যাপার নয়। আপনার যদি হটমেইল, ইয়াহু বা জিমেইলে ইমেইল একাউন্ট থাকে তাহলে ইতোমধ্যেই কাউড কম্পিউটিং-এর অভিজ্ঞতা আপনার হয়ে গেছে! আপনি নিজের কম্পিউটারে ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন চালানোর পরিবর্তে একটি ওয়েব ইমেইল একাউন্টে অ্যাকসেস নিচ্ছেন দূরবর্তী কোনো স্থান থেকে। সফটঅয়্যার এবং স্টোরেজ কোনোটাই আপনার কম্পিউটারে নেই, এটা আছে ঐ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ক্লাউডে।

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রয়োগ:

কাউড কম্পিউটিং-এর প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রযেছে। একটি সাধারণ কম্পিউটার যেসব অ্যাপ্লিকেশন রান করে তার সবগুলোই ব্যবহার করা সম্ভব কাউড কম্পিউটিং পরিবেশে। যদি প্রশ্ন আসে, অন্য একটি কম্পিউটারে প্রোগ্রাম চালানো এবং ডাটা সংরণ করার প্রয়োজনীয়তা কেন কেউ বোধ করবে, তাহলে উত্তর হিসেবে নিচের কারণগুলো বলা যায়:

* ব্যবহারকারীরা যে কোনো স্থান থেকে তাদের প্রোগ্রাম এবং উপাত্তে প্রবেশ করতে পারবে। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ আছে এরকম যে কোনো কম্পিউটার ব্যবহার করেই এটা করা সম্ভব।

* ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের মাধ্যমে হার্ডঅয়্যারজনিত খরচকে কমানো সম্ভব। এর ফলে ক্লায়েন্ট সাইডে অগ্রসর কোনো হার্ডঅয়্যার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না। সর্বোচ্চ মেমোরি আর প্রসেসিং স্পিডসমৃদ্ধ সেরা কম্পিউটারটিই যে আপনার কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই, ক্লাউড সিস্টেমই আপনাকে সর্বোচ্চ মান, গতি আর সামর্থ্যসম্পন্য কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। পয়সা খরচ করে বেশি ধারণক্ষমতার হার্ড ড্রাইভ কেনার দরকার নেই, আপনার সব ডাটাই সংরক্ষিত হবে অন্য কোনো কম্পিউটারে।

* ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবাদে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিটি কর্মী প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কম্পিউটার অ্যাপিকেশনে অ্যাকসেস পাবে। প্রতিটি কর্মীর জন্য পৃথক সফটঅয়্যার বা সফটঅয়্যার লাইসেন্স কেনার দরকার হবে না। তার পরিবর্তে কোনো না কোনো কাউড কম্পিউটিং কোম্পানির গ্রাহক হলেই চলবে।

* সার্ভার এবং ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস রাখার জন্য অনেক জায়গা লাগে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান সার্ভার এবং ডাটাবেস রাখার জন্য জায়গা ভাড়া করে, কারণ এর জন্য তাদের নিজেদের প্রয়োজনীয় স্থানের অভাব রয়েছে। ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবাদে এসব প্রতিষ্ঠান অন্য কারো হার্ডঅয়্যারে নিজেদের ডাটা রাখতে পারে, কাজেই ফ্রন্ট এন্ড-এ তেমন কোনো ফিজিক্যাল স্পেসের প্রয়োজন হয় না।

* কাউড কম্পিউটিং আইটি সাপোর্টজনিত খরচ কমাতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার হার্ডঅয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেম রক্ষণাবেণের চাইতে অনেক সহজ ও ব্যয়সাশ্রয়ী হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অধীনে ঝামেলামুক্ত, স্ট্রিমলাইনড হার্ডঅয়্যার ব্যবহারের সুযোগ নেয়া।

* কাউড কম্পিউটিং সিস্টেমের ব্যাক এন্ড-এ যদি থাকে কম্পিউটার সিস্টেমের একটি গ্রিড, তাহলে সব ব্যবহারকারী খুব সহজে গোটা একটি নেটওয়ার্কের প্রসেসিং ক্ষমতার সুবিধা নিতে পারে। বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা প্রায়ই এমন জটিল সব গোনাগুণতির কাজ করেন যেগুলো করতে অল্প ক্ষমতাসম্পন্য একক কোনো কম্পিউটারের দিনের পর দিন লেগে যেতে পারে। গ্রিড কম্পিউটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা গোনাগুণতির কাজগুলোকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য ক্লাউডে পাঠিয়ে দিতে পারেন। ক্লাউড সিস্টেম তখন অনেক কম্পিউটারের মিলিত শক্তিকে এ হিসাব নিকাশের কাজে লাগিয়ে দিতে পারে, ফলে কাজে আসবে অনেক অনেক বেশি গতি।


ক্লাউড কম্পিউটটিং আর্কিটেকচার

ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে গোটা ব্যাপারটাকে দুটো ভাগে করে দেখা ভাল। একভাগে আছে ফ্রন্ট এন্ড এবং অন্যভাগে ব্যাক এন্ড। এ দুটো একটি অন্যটির সঙ্গে একটি নেটওয়ার্ক (সাধারণত ইন্টারনেট)-এর মাধ্যমে যুক্ত। ফ্রন্ট এন্ড হচ্ছে কম্পিউটার ব্যবহারকারী যে প্রান্তটি দেখতে পান সেটি, আর ব্যাক এন্ড হচ্ছে সিস্টেমটির ক্লাউড প্রান্ত। ফ্রন্ট এন্ড-এ আছে ক্লায়েন্ট-এর কম্পিউটার এবং ক্লাউডে প্রবেশ করতে হলে যেসব সফটঅয়্যার টুল লাগে সেগুলো। আর ব্যাক এন্ড-এ আছে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার এবং ডাটা স্টোরেজ সিস্টেম যারা সবাই মিলে কম্পিউটার সেবার একটি ক্লাউড বা মেঘপুঞ্জ সৃষ্টি করছে। তত্ত্বগতভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে ডাটা প্রসেসিং থেকে শুরু করে ভিডিও গেম পর্যন্ত যে কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রামই।

কাউড সিস্টেম এ সাধারণত প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশনের নিজস্ব ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার গোটা সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক মনিটরিং এবং কায়েন্ট-এর চাহিদা পূরণে সমন্বয়মূলক কাজগুলো করে। এ কাজে এটি নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন অনুসরণ করে যাকে প্রটোকল বলা হয়। সুষ্ঠুভাবে কর্ম সম্পাদনের জন্য এটি বিশেষকিছু সফটঅয়্যার ব্যবহার করে যেগুলোকে বলা হয় মিডলঅয়্যার। মিডলঅয়্যারের সুবাদে নেটওয়ার্কের অঙ্গীভূত কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।

সেবাগ্রহীতার সংখ্যা বেশি হলে ক্লাউড কম্পিউটিং কোম্পানিগুলোর প্রচুর পরিমাণে স্টোরেজ স্পেস দরকার হবে। এজন্য তারা হাজার হাজার ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করতে পারে। সেবাগ্রহীতাদের তথ্যগুলো সংরক্ষণ করার জন্য যতটা স্পেসের দরকার হয় কাউড কম্পিউটটিং সিস্টেমে সাধারণত তার কযেকগুন পরিমাণ স্পেসের ব্যবস্থা থাকে। এর কারণ হচ্ছে, বিভিন্ন সময় এসব স্টোরেজ ডিভাইসগুলোতে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য কাউড কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহারকারীদের তথ্যগুলোর একটি বা দুটি করে ব্যাক আপ কপিও সংরণ করা হয়। কপিগুলোর ব্যাকআপ রাখার এ পদ্ধতিকে বলা হয় রিডানডেন্সি।

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর স্তর

কাউড কম্পিউটিং- এর বিভিন্ন স্তর বা ক্রমপর্যায় হচ্ছে:
ক্লায়েন্ট, অ্যাপ্লিকেশন, প্ল্যাটফর্ম, অবকাঠামো এবং সার্ভার।

ক্লায়েন্ট


ক্লাউড ক্লায়েন্ট-এর মধ্যে আছে কম্পিউটার হার্ডঅয়্যার ও সফটঅয়্যার যেগুলো অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ অথবা বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান করার জন্য ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ওপর নির্ভর করে।

অ্যাপ্লিকেশন


ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন সেবা বা Platform as a Service (PaaS) ইন্টারনেটের সাহায্যে সফটঅয়্যার সেবা প্রদান করে। এর ফলে ব্যবহারকারীর নিজের কম্পিউটারে ঐ অ্যাপ্লিকেশনটি ইনস্টল বা রান করার প্রয়োজন থাকে না। অ্যাপিকেশন সংক্রান্ত রক্ষণাবেণ ও সাপোর্ট-এর কাজও এর ফলে হয়ে যায় খুব সহজ। এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আছে:

ক) বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত সফটঅয়্যারে নেটওয়ার্কভিত্তিক অ্যাকসেস এবং এসব সফটঅয়্যারের নেটওয়ার্কভিত্তিক ব্যবস্থাপনা।

খ) প্রতিটি কাস্টমারের সাইট নয়, বরং কেন্দ্রীয় কোনো স্থান থেকে বিভিন্ন কর্মকান্ড ব্যবস্থাপনা করা হয়। এর ফলে ওয়েবের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এসব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।

গ) এক থেকে এক বা ওয়ান-টু-ওয়ান নয়, বরং এক থেকে অনেক বা ওয়ান-টু-মেনি মডেলে অ্যাপ্লিকেশন ডেলিভারির সুযোগ।

ঘ) কেন্দ্রীয়ভাবে ফিচার আপডেটিং-এর ব্যবস্থা, যাতে ডাউনলোড করার উপযোগী প্যাচ ও আপগ্রেড-এর ভূমিকা গুরুত্বপুর্ন হয়ে ওঠে।

প্ল্যাটফর্ম:


ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম সেবা বা Platform as a Service (PaaS ) কম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম এবং solution stack-কে একটি সেবা হিসেবে প্রদান করে। এর ফলে হার্ডঅয়্যার এবং সফটঅয়্যার প্ল্যাটফর্ম  না কিনেই প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ পান ব্যবহারকারী। ইন্টারনেট থেকে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ও সেবা প্রদানের জন্য যে পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র (complete life cycle) প্রয়োজন তার জন্য সমস্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে PaaS.

PaaS-এর বিভিন্ন সুযোগ সবিধার মধ্যে আছে অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, টেস্টিং, ডিপ্লয়মেন্ট এবং হোস্টিং ছাড়াও দলীয়ভিত্তিক কাজ (team collaboration), ওয়েব সার্ভিস ইন্টিগ্রেশন ও মার্শালিং, ডাটাবেস ইন্টিগ্রেশন, নিরাপত্তা, স্কেলেবিলিটি, স্টোরেজ, স্টেট ম্যানেজমেন্ট, অ্যাপ্লিকেশন ভারসনিং,অ্যাপ্লিকেশন ইনস্ট্রুমেন্টেশন-এর মত বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক সেবা। ক্লাউড কম্পিউটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েবে একটি সমন্বিত সল্যুশন হিসেবে এসব সেবা কায়েন্টদেরকে দিতে পারে।

অবকাঠামো


ক্লাউড অবকাঠামো সেবা বা Infrastructure as a Service (IaaS) কম্পিউটার অবকাঠামো, সাধারণ প্ল্যাটফর্ম  ভার্চুয়ালাইজেশন এনভায়রনমেন্টকে একটি সেবা হিসেবে প্রদান করে। এর ফলে সার্ভার, সফটঅয়্যার, ডাটা সেন্টার স্পেস বা নেটওয়ার্ক ইকুইপমেন্ট না কিনে ক্রেতা বরং পুরোপুরিভাবে আউটসোর্স করা একটি সেবা হিসেবে এসব রিসোর্স-কে কেনেন। সহজভাবে বলতে গেলে, Infrastructure as a Service হচ্ছে ক্লাউডভিত্তিক সেবা প্রদানের একটি মডেল যাতে একটি সংগঠন তার বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে ব্যবহৃত স্টোরেজ, হার্ডঅয়্যার, নেটওয়ার্ক, সার্ভার ইত্যাদি ইকুইপমেন্টকে আউটসোর্স করে ফেলে।

এসব যন্ত্রপাতির মালিকানা এবং এগুলো পরিচালনার দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানেরই। ক্লায়েন্ট তাঁর ব্যবহারের পরিমাণ ও ধরনের ভিত্তিতে মাসিক বা বাৎসরিক চাঁদা প্রদান করেন।

সার্ভার:


সার্ভার লেয়ারে আছে এমন সব কম্পিউটার হার্ডঅয়্যার এবং সফটঅয়্যার পণ্য যেগুলোকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ক্লাউড সেবা দেয়ার জন্য। এর মধ্যে আছে মাল্টি কোর প্রসেসর, কাউড-স্পেসিফিক অপারেটিং সিস্টেম ইত্যাদি।

0 comments:

Post a Comment